চাঁদপুরের অনলাইনে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, নড়াইল থেকে ৪ প্রতারক গ্রেপ্তার
জাহিদুল ইসলাম
প্রকাশের সময় :
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৭৬
বার পঠিত
চাঁদপুরের অনলাইনে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, নড়াইল থেকে ৪ প্রতারক গ্রেপ্তার
চাঁদপুরের ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগে আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ৪৬টি সিম কার্ড এবং নগদ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার সিমের মধ্যে দুটি ভারতীয় সিম কার্ড রয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর জেলা পুলিশের পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—নড়াইল জেলার কালিয়া থানার আমতলা, কলামনখালী এলাকার ফুরকান শেখ (২৫), নওয়াগ্রাম শেখ বাড়ি এলাকার চান মিয়া ওরফে চান্দু শেখ (২৫), রাতুল হোসেন নবেল (২৫) এবং শহিদুল শেখ (২৩)। পুলিশ জানায়, চক্রটি ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি সংগ্রহ করে এডিট করে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলত। এসব পেজে ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, কলম, জুতা, বেবি টয় ও অনলাইন জবসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির ভিডিও, শর্ট রিল ও ভুয়া কমেন্ট তৈরি করে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো। ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় চক্রের সদস্যরা অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করত। মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ও অডিও কলের মাধ্যমে নাহিদ, জাবেদ, সনি মিয়া, হাজী আব্দুল কাদের ও সাকিবসহ বিভিন্ন ভুয়া পরিচয়ে নিজেদের প্রকৃত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিত। প্রতারণাকে বিশ্বাসযোগ্য করতে তারা ভুয়া ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে নকল ভাউচার তৈরি করত। পরে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর পণ্য সরবরাহ না করে অর্থ আত্মসাৎ করত বলে অভিযোগ পুলিশের। পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মামলা দুটির সূত্র ধরে চাঁদপুর জেলা পুলিশের এলআইসি শাখা ও ডিবি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করা হয়। পরে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে একই ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এ নিয়ে মামলায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চাঁদপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তদন্তাধীন রয়েছে। অনলাইনে প্রতারণা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
৯০
চাঁদপুরের ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগে আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ৪৬টি সিম কার্ড এবং নগদ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার সিমের মধ্যে দুটি ভারতীয় সিম কার্ড রয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর জেলা পুলিশের পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—নড়াইল জেলার কালিয়া থানার আমতলা, কলামনখালী এলাকার ফুরকান শেখ (২৫), নওয়াগ্রাম শেখ বাড়ি এলাকার চান মিয়া ওরফে চান্দু শেখ (২৫), রাতুল হোসেন নবেল (২৫) এবং শহিদুল শেখ (২৩)।
পুলিশ জানায়, চক্রটি ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি সংগ্রহ করে এডিট করে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলত। এসব পেজে ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, কলম, জুতা, বেবি টয় ও অনলাইন জবসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির ভিডিও, শর্ট রিল ও ভুয়া কমেন্ট তৈরি করে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো।
ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় চক্রের সদস্যরা অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করত। মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ও অডিও কলের মাধ্যমে নাহিদ, জাবেদ, সনি মিয়া, হাজী আব্দুল কাদের ও সাকিবসহ বিভিন্ন ভুয়া পরিচয়ে নিজেদের প্রকৃত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিত।
প্রতারণাকে বিশ্বাসযোগ্য করতে তারা ভুয়া ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে নকল ভাউচার তৈরি করত। পরে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর পণ্য সরবরাহ না করে অর্থ আত্মসাৎ করত বলে অভিযোগ পুলিশের।
পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মামলা দুটির সূত্র ধরে চাঁদপুর জেলা পুলিশের এলআইসি শাখা ও ডিবি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করা হয়। পরে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে একই ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এ নিয়ে মামলায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
চাঁদপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তদন্তাধীন রয়েছে। অনলাইনে প্রতারণা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।